Notification texts go here Contact Us Download Now!

দ্রুত গর্ভবতী হওয়ার কার্যকরী টিপস

মাসিকের কত দিন পর ডিম্বস্ফোটন হয়?, মাসিক হওয়ার কত দিন পর সহবাস করলে বাচ্চা হয়?, কিভাবে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ানো যায়, প্রেগনেন্ট হওয়ার ঔষধ,
AKFP
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated
দ্রুত গর্ভবতী হওয়ার কার্যকরী টিপস
দ্রুত গর্ভবতী হওয়ার কিছু টিপস - 
বিয়ের পর প্রায় প্রত্যেক দম্পতি একটি ফুটফুটে সন্তানের আশায় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে  থাকেন। অনেকের ক্ষেত্রে কোন ঝামেলা ছাড়াই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় গর্ভধারণ হয়ে থাকে। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে দীর্ঘসময় অপেক্ষার পরেও সফলভাবে গর্ভধারণ হয় না। কিছুদিন চেষ্টার পরে অনেক দম্পতি হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েন। স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই  অনাকাঙ্খিত এই সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। এমতাবস্থায় দম্পতিদের করণীয় সম্পর্কে কিছু টিপস নিম্নে দেওয়া হলো -


১। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ -
যে সকল দম্পতি সন্তান নেওয়ার জন্য এক বছর বা তার বেশী সময় ধরে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন তারা অতি দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তরের সরনাপন্ন হউন। ডাক্তারের পরামর্শ  অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরিক্ষা  যেমন- ওজন ,রক্তচাপ ,ও আপনার জরায়ু ইত্যাদি সহ আরোও অন্যান্য পরীক্ষা করার প্রয়োজন হতে পারে।

২। সুস্থ জীবনযাপন -
সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন একজন নারীকে গর্ভবতী হতে সাহায্য করে। তাই স্বামী-স্ত্রীর উভয়কেই সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপনে অভ্যস্থ হতে হবে। অনেক সময় মানসিক দু:শ্চিন্তা গর্ভধারণে বাধা তৈরী করে তাই মানসিক দু:শ্চিন্তা পরিহার করুন।

৩। সপ্তাহে অন্তত ৩ বার যৌন মিলন -
গর্ভধারণের জন্য নিয়মিত যৌন মিলন অতি জরুরী। অনেক দম্পতি ওভুলেশান এর হিসাব কষে সে সময় যৌন মিলনে আগ্রহী থাকেন। ওভুলেশানের সঠিক সময় নির্ণয় করা সব সময় সম্ভব নাও হতে পারে। তাই প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন যৌন মিলন করুন। যা গর্ভধারনের সম্ভাবনাকে অনেকগুন বাড়িয়ে তুলে।

৪। ধুমপান পরিহার করুন -
ধুমপান, মদ্যপান পরিহার করুন। স্বামী-স্ত্রী উভয়েই অথবা তাদের দু জনের যে কেউ ধুমপান বা মদ্যপানে আসক্ত থাকলে তা এখনি বর্জন করা উচিত। এসব বদ অভ্যাস গর্ভধারণে প্রভাব ফেলে এবং গর্ভের সন্তানের ক্ষতি করে।

৫। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন থেকে বিরত থাকুন -
রেজিষ্টার্ড  ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিত যে কোন ঔষধ সেবন করা থেকে বিরত থাকুন। অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় যে, ক্যাফেইনযুক্ত কিছু ঔষধ সেবনের ফলে ঋতুস্রাব অনিয়মিত করে দেয় এবং এর ফলে গর্ভধারণ বিলম্ব হয়। তাই উচ্চ মাত্রায় ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন।


৫। ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখুন -
অতিরিক্ত ওজন স্বামী- স্ত্রী উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর। সন্তান নেওয়ার চিন্তা করলে প্রথমেই উভয়ের ওজন নিয়ন্ত্রন করা উচিত। অতিরিক্ত ওজনের ফলে নারীদের অনিয়মিত ঋতুস্রাব হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চেষ্টা করেও গর্ভধারণ বিলম্বিত হয়। অতিরিক্ত ওজনের কারনে পুরুষের শুক্রানুর সংখ্যা, গুনগত মান ও পরিমানে তারতম্য দেখা দেয়। ফলে গর্ভধারন বিলম্বিত হয়।

৫। সুষম খাদ্য -
স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই সুসম পুষ্টিকর খাবার গ্রহন করতে হবে। এছাড়া সব ধরনের জাঙ্ক ফুড, ফাস্ট ফুড, অতি মসলাদার ও চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। নিয়মিত শাক-সব্জী, আমিষ ও আঁশ জাতীয় খাবার গ্রহন করতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় করে  ব্রকলি, ডিম, দুধ এবং প্রচুর পরিমানে মৌসুমি ফল রাখা উচিত। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করতে হবে। 

৬। ঋতুচক্র ক্যালেন্ডারের উপর নির্ভরশীল না হওয়া -
সাধারণত একজন সুস্থ্য স্বাভাবিক নারীর মাসিক ঋতুচক্রের ১৪ তম দিন ওভুলেট করেন  বলে মনে করা হয়। যাদের মাসিক চক্র ২৮ দিনে সম্পন্ন হয় তাদের ক্ষেত্রে এই হিসেবটি মিলে যায়। কিন্তু এটি পুরোপুরি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত নয়। এটি একটি অনুমানমাত্র।  এমন অনেক নারীই আছেন যারা মাসিকের ১৪ তম দিনে ওভুলেট করেন না। কিন্তু আপনি যদি ডিম্ব নিঃস্বরনের উল্লেখযোগ্য কোন আলামত দৃশ্যমান দেখে মিলন করেন তাহলে ভাল ফলাফল পেতে পারেন।

৭। ওভুলেশানের পুর্বে যৌন মিলন -
অনেক দম্পতি ওভুলেশানের জন্য মিলনের সঠিক সময় নিয়ে দ্বিধায় থাকেন।  গর্ভধারনের জন্য প্রতি মাসের নির্দিষ্ট একটি সময় রয়েছে। যেটাকে গর্ভধারণের সুসময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নারীর ওভুলেশানের পর ডিম্বানু আনুমানিক ২৪ ঘন্টা তা জীবিত থাকে। অন্যদিকে পুরুষের শুক্রানু নারীর জরায়ুতে সর্বোচ্চ ৭দিনের মত জীবিত থাকতে পারে। এ কারনে ওভুলেশানের ২/৩ দিন পূর্বে যৌন মিলন করলেও গর্ভধারনের সম্ভাবনা থাকে। তাই ওভুলেশানের  জন্য অপেক্ষা না করার প্রয়োজন নেই।


৮। বয়সের দিকে লক্ষ্য রাখা -
বর্তমানে আমরা যান্ত্রিক জীবনে এতটাই ব্যস্ত যে, নিজেদের প্রতিষ্ঠা লাভের কথা বিবেচনা করে সন্তান নেয়ার কথা জরুরী মনে করি না। কিন্তু বয়স ও বয়সের পাশাপাশি শারীরিক ও মানুষিক পরিবর্তন তো থেমে থাকে না। যখন সন্তানের প্রয়োজন মনে করেন তখন দেখা যায় হয় বয়সের কারনে গর্ভধারনে সমস্যা হচ্ছে। তাই প্রথম সন্তান নেয়ার ক্ষেত্রে একজন নারীর  বয়স অবশ্যই ১৮ এর বেশী দরকার  এবং ৩০ অধিক হওয়া উচিত নয়।

৯। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক -
ভালোবাসার মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর অনেক প্রতিবন্ধকতাই কাটিয়ে উঠা সম্ভব। গর্ভধারনের জন্য দম্পতির মানসিক প্রস্তুতি, ভালোবাসা, উভয়ের মাঝে বুঝাপড়া ইত্যাদি বিষয় নানা রকম শারীরিক ও মানসিক সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। ফলে গর্ভধারনের সঠিক প্রস্তুতি নিতে সহজ হয়।

১০। বৈধ উপায়ে চেষ্টা করার পাশাপাশি আল্লাহর উপর ভরসা রাখা - 
সব সময় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তত্বাবধানে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি সর্ব প্রকার অপচিকিৎসা থেকে মুক্ত থাকতে হবে। সর্বোপরি আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে হবে।

শেষ কথা -
আজকের আমাদের আর্টিকেলের বিষয়টি ছিল গর্ভধারনের সহায়ক টিপস নিয়ে। আশা করি আপনারা উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলি যথাযথভাবে মেনে চললে গর্ভধারনে সক্ষম হবেন ইনশা-আল্লাহ। সু-চিকিৎসার পাশাপাশি সর্বোপরি আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। আল্লাহ সকলের প্রতি সহায় হউন। আমীন।  


পোস্ট ট্যাগ -
মাসিকের কত দিন পর ডিম্বস্ফোটন হয়?, মাসিক হওয়ার কত দিন পর সহবাস করলে বাচ্চা হয়?, কিভাবে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ানো যায়, প্রেগনেন্ট হওয়ার ঔষধ, দ্রুত গর্ভবতী হওয়ার উপায়, গর্ভবতী হওয়ার ঘরোয়া উপায়, গর্ভবতী হওয়ার জন্য সহবাসের নিয়ম, দ্রুত গর্ভবতী হওয়ার আমল, ওভুলেশন ঔষধ, Pregnot 200 mg Tablet price in Bangladesh, গর্ভবতী না হওয়ার ঔষধের নাম, গর্ভধারণের সঠিক সর্বোত্তম ১০টি উপায়, মাসিকের কতদিন পর গর্ভধারণ হয়, বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি video, বাচ্চা হওয়ার জন্য কতটুকু বীর্য লাগে, কনসিভ করার উপযুক্ত সময়

إرسال تعليق

Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.